ভোটের আগে কাজের ফিরিস্তি নিয়ে দুয়ারে দুয়ারে মমতার সরকার

আসছে বিধানসভা ভোট। তার আগেই শাসকদলের চাপ বাড়িয়ে দল ছাড়ছেন একেরপর এক হেভিওয়েট নেতা মন্ত্রী। মানুষও কি অভিযোগের আঙুল তুলছেন তৃণমূলের দিকে? দশবছর কেটে গেলেও এখনও বাদ পড়ে রয়েছে বিস্তর কাজ। তাই এবার মানুষের দুয়ারে দুয়ারে সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত এই কার্যক্রম পয়লা ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে এবং কিভাবে হলে হবে তার কার্যক্রম আজ তা জানালেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি জানিয়েছেন এই কার্যক্রম ১ ডিসেম্বর থেকে ৩১শে জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এবং চারটি ধাপে চলবে এই কার্যক্রম।

আরো পড়ুনঃ“বিধায়ক হব” আবদারে লক্ষ লক্ষ আবেদন বিজেপিতে !

ডিসেম্বরের ১ তারিখ থেকে ১১ তারিখ পর্যন্ত চলবে প্রথম পর্যায়ের কাজ ১৬ থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত চলবে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ সেকেন্ড জানুয়ারি থেকে ১২ ই জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে তৃতীয় পর্যায়ের কাজ ১৮ জানুয়ারি থেকে ২৮ শে জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে চতুর্থ পর্যায়ের কাজ। ১৪৪ ওয়ার্ডে চলবে এই কার্যক্রম। এখানে বিভিন্ন ওয়ার্ডে ক্যাম্পিং করা হবে এবং মানুষের ঘরে ঘরে যাওয়া হবে এবং তাদের কাছে জানা হবে তাদের কি রকম অসুবিধা হচ্ছে এবং তাদের কি কি জিনিস তাদের সুবিধা পেতে চান।

আরো পড়ুনঃশুভেন্দু পদ ছাড়তেই পূর্ব মেদিনীপুরে তান্ডব শুরু বিজেপির

তার পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য বিষয় স্বাস্থ্যসাথী কার্ড। প্রত্যেকটি মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হবে। যদিও যারা সে কার্ড নিতে ইচ্ছুক। এর পাশাপাশি থাকবে কন্যাশ্রী রূপশ্রী শিক্ষাশ্রী ও তপশিলি ভাই-বোনদের জন্য থাকছে কার্ড। এ সমস্ত ক্যাম্পিং থেকেও তারা সরাসরিভাবে জোগাড় করতে পারবে তাদের ফরম এবং এখানেই তাদেরকে জমা দিতে হবে ।তারপর সে সমস্ত কার্ড কলকাতা কর্পোরেশন থেকে সরাসরি চলে যাবে স্বাস্থ্য দপ্তর ও বিভিন্ন দপ্তরে এবং সরাসরি অনলাইনে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে । প্রয়োজন মত যেখানে যত টাকা পাওয়ার কথা তারা সেই টাকা গুলো পেয়ে যাবে। স্বাস্থ্য সাথী কার্ড এর সুবিধা ও এবার বাংলার প্রতিটি মানুষ পাবেন। এর পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন যে টিম গঠন করা হবে প্রত্যেক টিমের থাকবেন বিশিষ্ট আধিকারিকরা। তাদের সঙ্গে দশজন করে থাকবে।এমনটাই জানিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। এর পাশাপাশি তিনি নিয়েছেন স্বাস্থ্যসাথী কার্ড এর মাধ্যমে মানুষ অনেক সুবিধা পাবেন যেমন সমস্ত রকম চিকিৎসা সরকারি হাসপাতালে হয় না। তাই মানুষকে বেসরকারি হাসপাতালে যেতে হয়।