দিঘা নয়, এবার ২৮ তারিখ ব্রিগেড যাবে টুম্পা!

সৌমিতা ভট্টাচার্য্য- ভাসান কিংবা বিয়েবাড়ি, সবেতেই এখন রমরমা বাজার “টুম্পা”র। কনফিউসড পিকচার নিবেদিত “টুম্পা” গানটির সঙ্গে কোমড় দোলায়নি এমন জনতা দেখা বহুল। তবে এই আইটেম গানই মিশে যাবে রাজনীতির রঙে, তাও আবার লাল! এযেন এক অদ্ভূত ব্যাপার। কিন্তু সেটাই হলো বাস্তব। যে বামেদের স্লোগানে বারবার শোনা যেত, পুঁজিবাদী, সাম্রাজ্যবাদীদের কথা, তাতেই এবার বসেছে টুম্পার প্যারোডি। গানের মাধ্যমে চলছে তাঁদের প্রচার ব্যবস্থা। ভোটের মরশুমে এক নতুন ভাবনায় হাজির বাম কংগ্রেস।

বামেদের স্লোগান প্রতিবারই এক অনন্য মাত্রা করে নেয় জনগণের মনে। সেখানে ইতিহাস কিংবা দেশের কথা শোনা গেলেও, সেটাই হয়ে যায় জনতার মুখের কথা। তবে এবার তাক লাগানো স্লোগান নিয়ে হাজির তাঁরা। জনপ্রিয় “টুম্পা” গানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কথা বেঁধেছেন তাঁরা। সেই গানে যেমন আছে নারদ কান্ড, আবার তেমনি আছে দলবদলের রাজনীতির গল্প। তাঁদের মতে আজ রাজ্য বনাম দেশ নয়, চলেছে “বিজেমূল” এর সরকার। গানে উঠে এসে বেকারত্বের কথা, আছে ভাইপো প্রসঙ্গ-ও। গরুর দুধে সোনার পাওয়ার কথাও টেনে এনেছেন তাঁরা। কখনও মোদী কখনও মমতা, গানের মাঝে একাধিক ব্যঙ্গতার সঙ্গে বিঁধেছেন তাঁদেরকে।

আরও পড়ুন- এবার কৃষকদের সমর্থনে কলকাতার রাস্তায় শিখ সম্প্রদায়, ভাবনা আরও বড়ো প্রতিবাদের

আর এই সকল সমস্যার সমাধানও দিয়েছেন লাল সমর্থকেরা। তাঁদের মতে রাজ্যের হাল ফেরাতে হলে, লাল ফেরাতে হবে। তাই এখানে টুম্পা দিঘা নয়, যাবে ব্রিগেডের মাঠে। ঘর সাজাবেন “চেন ফ্ল্যাগে”। চাকরিও মিলবে তখনও, হবে তাঁদের অসম্পূর্ণ বিয়ে।

গতবার ভোটের আগে রাজনীতির গান নিয়ে এসেছিলেন বিজেপি নেতা ও গায়ক বাবুল সুপ্রিয়ো। ওই সময় সেই গানের জনপ্রিয়তা ছিল শিখরে। ফের একই দৃশ্য ঘটালো বামেরা। এর আগে বহু রাজনৈতিক গান শোনা গেছে তাঁদের দলের পক্ষ থেকে। কিন্তু মজার ছলে এমন গান, দেখেনি জনতা। তাই এই বছরের এই নতুন রুপে টুম্পা ইতিমধ্যেই ভাইরাল। এমনকি অভিনেত্রী ও নতুন পরিচালক শ্রীলেখা মিত্র, নিজের সোশ্যাল সাইট থেকে এই গান প্রচার করেছেন। সেখানেও নজরে এসেছে নেটিজেনদের উন্মাদনা।