বালির তৃণমূল বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়ার বিরুদ্ধে টাকা তছনছ সহ একগুচ্ছ অভিযোগ তৃণমূল সভাপতির

এবার বর্তমান বালি বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়ার বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ দায় করলেন তৃণমূল সভাপতি তথা প্রাক্তন কাউন্সিলার তফজিল আহমেদ। সাধারণ মানুষের টাকা আত্মসাৎ করা থেকে তাঁদের একাধিক কাজে হয়রানি করার আঙুল উঠল বিধায়কের নামে। কিন্তু সব আভিযোগের উত্তর দিতে পিছপা হননি বৈশালী ডলমিয়া।
“দরকার হলে উনি সেন্ট্রাল ফোর্স ব্যবহার করবেন, কিন্তু কর্মী নন”, বৈশালী ডালমিয়ার বিরুদ্ধে এমন মন্তব্যই করলেন বালির প্রাক্তন বিধায়ক তফজিল আহমেদ। তাঁর দাবি, বর্তমান বিধায়ক বালির ভোটার তালিকা নিয়ে তাঁর বাড়ি বেহালায় নিয়ে চলে গেছেন। তিনি ভয় পাচ্ছেন এই বছর ভোটে তাই সেন্ট্রাল ফোর্সের সুরক্ষা নিতে চাইছেন। এছাড়াও গরিব মানুষদের অর্থ নয়ছয় করার দাবিও তিনি করেছেন বিধায়কের বিরুদ্ধে। “সাধারণ মানুষের অর্থের কোনো হিসাব নেই। কিন্তু যদি কোনো মানুষ তাঁর দরজায় দাঁড়া তখন তাঁকে হাজারবার ফিরিয়ে দেন তিনি। আমার কাছে কাঁদতে কাঁদতে আসলে, আমি তাঁদের অন্য বিধায়কদের কাছে পাঠাই”। অর্থাই তাঁর ভাষায় বৈশালী ডালমিয়া, সাধারণ মানুষের অর্থ নিয়েই তাঁদের নানাধরণের হয়রানির মুখে ফেলেন বলে কটাক্ষ করেন।
কিন্তু এত অভিযোগের উত্তর দিতে পিছিয়ে যাননি বিধায়ক। সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি হিসাব দিয়ে। ভোটার তালিকা নিয়ে এলেই যে বালির ভোট এখানে পড়ে না, সেই কথা তিনি বুঝিয়েছেন। এছাড়াও বহু রকম গরিব মানুষের সেবা থেকে মানুষের স্বার্থে বহু কাজও করেছেন তিনি। তাঁর তালিকায় পরিষেবা পায়নি এমন লোকের হিসাব খুব কমই। এমনকি তিনি তাঁর অফিসে কিছু লোক রেখেছে, যাঁদের মাসিক বেতনও নিজের থেকে তিনি দেন বলে জানিয়েছেন। এবং সেই অফিস ১০ থেকে সন্ধ্যে ৬ অবধি খোলা থাকে। আর ততক্ষণ যাঁরা আসেন, তাঁরা যথাযথ সুবিধা পান বলেও দাবি করেন। তাই তফসিল আহমেদ, যতই অভিযোগের আঙুল তুলুক না কেন, বৈশালী ডালমিয়া জানিয়েছেন, তাঁর এসব “অনর্থ” অভিযোগে তিনি ভয় পাননা। বরং সব কথারই ঠিকঠাক উত্তর আছে।