মানবাধিকার কমিশনের রাজ্য সফর রুখতে কলকাতা হাইকোর্টে মমতা সরকার।

পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে 2রা মে। সেই দিন থেকে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ওপর নেমে এসেছে অকথ্য অত্যাচার-নির্যাতন-ধর্ষণ, ঘর ছাড়া বহু পরিবার, লুট হয়েছে বহু কর্মী-সমর্থকের বাড়ি, বলে অভিযোগ বিজেপির। এখনো সেই রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা যে স্তিমিত হয়নি তা বোঝা যায় শিশু, মহিলা ও এসসি কমিশনের রিপোর্টে! সুপ্রিম কোর্ট ও একটি ধর্ষণের মামলায় পুলিশ কেন এফআইআর নেয়নি এবং একজন ধর্ষিতাকে বিচার চাইতে কেন সুপ্রিম কোর্টে আসতে হল সরাসরি, এই প্রশ্ন করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করে।

অন্যদিকে আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল কলকাতা হাইকোর্টে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে মামলা করেছিলেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে জানায় যে শুধুমাত্র বিরোধী দলের রাজনীতি করে বলে সে তার ঘরে ফিরতে পারবে না, এটা খুব উদ্বেগজনক এবং নির্দেশ দেয় সমস্ত বিরোধী কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি ফেরাতে হবে এবং দরকার হলে পুলিশ প্রশাসন কে তাদের নিরাপত্তা দিতে হবে। এবং কলকাতা হাইকোর্টের পাঁচ সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চ নির্বাচন ফলাফল পরবর্তী হিংসা তে মানবাধিকার লংঘন হয়েছে বলে মনে করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে রাজ্যে এসে সরজমিনে খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

কিন্তু আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকার কলকাতা হাইকোর্টে এই নির্দেশ প্রত্যাহারের জন্য মামলা দায়ের করল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মতামত নতুন সরকার শপথ নেওয়ার পর থেকে একটি হিংসার ঘটনা ঘটেনি এবং কোন বিরোধী নেতাকর্মীদের উপর আক্রমণ বা ধর্ষণ হয়নি।