নানান আহারে-বাহারে উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু ভ্রাতৃদ্বিতীয়ার

“ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটা
যমের দুয়ারে পড়লো কাঁটা
যমুনা দেয় যমকে ফোঁটা
আমি দিদি আমার ভাইকে ফোঁটা।।” – এই মন্ত্র উচ্চারণের দ্বারাই প্রত্যেক বাঙালির ঘরে ঘরে পালিত হয় ভাইফোঁটা। এই মন্ত্রের মাধ্যমেই প্রত্যেক বোন তাদের ভাইদের জন্য মঙ্গলকামনা করে যমের দুয়ারে ফোঁটা দেয় যাতে যম যাতে তাদের থেকে ভাইকে না নিয়ে যেতে পারে। এই দিনটিতে মূলত বাঙালিজাতির প্রত্যেক ভাই-বোনেদের সম্পর্ক ঝালিয়ে নেবার দিন। কালীপুজো শেষ হতে না হতেই বাংলার প্রতি ঘরে ঘরে শুরু হয়ে যায় ভাইফোঁটার প্রস্তুতি। ভাতৃদ্বিতীয়ার দিন বোনেরা তাদের ভাইদের জন্য নানান মিষ্টান্ন সহযোগে ফোঁটা দেয়। ভাইফোঁটাতে প্রধানত বিজোড় সংখ্যার মিষ্টান্নর দ্বারাই ফোঁটা দিতে হয়। কোনো কোনো বাড়িতে বাদ যায় না আবার মধ্যাহ্ন ভোজও, ভাইয়ের জন্য এই বিশেষ ভোজে কোনোকিছুর কার্পণ্য না করেই হয় এলাহি আয়োজন। নানা ভাজা-ভুজি থেকে শুরু করে ডাল, বিভিন্ন মাছের পদ, পোলাও, পাঁঠার মাংস, চাটনি, পায়েস পর্যন্ত বানানো হয় শুধু ভাইয়ের মঙ্গলার্থে। এরই মধ্যে ভাই-বোনের মাঝে হয় উপহার আদান-প্রদান। নানান হই হুল্লোড়, আনন্দ মজার মধ্যে দিয়েই প্রত্যেক বাঙালির ঘরে ঘরে দিনটি উদযাপন করা হয়।