তার সাথে নিখিলের বিয়েটাই নাকি অবৈধ! বিস্ফোরক দাবি নুসরাতের



জনপ্রিয় অভিনেত্রী এবং তৃণমূল সাংসদ নুসরাত জাহানের সঙ্গে নিখিল জৈন এর সম্পর্কের ফাটল এর কথা উঠে আসছিল অনেকদিন ধরেই। সঙ্গে নুসরাত এবং অভিনেতা যশের মধ্যেকার সম্পর্কের কথা উঠে আসছিল। সম্প্রতি শুরু হয়েছিল দুপক্ষের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি, নুসরাত জাহান প্রেগনেন্ট হলেও সেটা যে তার বাচ্চা নয় সেটা স্পষ্ট করেন নিখিল জৈন।

এবারে নুসরাত জাহান একটি পত্রের মাধ্যমে দাবি করলেন যে তাদের বিয়ে আসলে অবৈধ। অভিনেত্রী সাংসদ জানান তাদের বিয়ে হয়েছিল বিদেশে, তুর্কিতে। টার্কিশ বিবাহ আইন অনুসারে ওই বিবাহ অবৈধ এবং যেহেতু তার এবং নিখিল জৈন এর বিবাহ একটি আন্তঃধর্মীয় বিবাহ (interfaith marriage) তাই সেই বিয়েকে বৈধতা দিতে গেলে ভারতবর্ষের স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্ট এর নিয়ম অনুসারে করতে হতো। এবং তার দাবি তাদের বিয়েতে এই স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্ট মানা হয়নি।


নুসরাতের বিজ্ঞপ্তি



তিনি বলেন “আইন-আদালত অনুযায়ী এটি বিয়ে নয়, এটি শুধুমাত্র একটি রিলেশনশিপ বা লিভ ইন, তাই আলাদা করে ডিভোর্সের কোন প্রশ্নই ওঠে না। অনেকদিন আগেই আমরা আলাদা হয়ে গিয়েছি কিন্তু সেটা আমি বাইরে বলিনি যাতে আমার ব্যক্তিগত জীবন আমার কাছেই থাকে।” তাই তিনি মিডিয়াকে অনুরোধ করেন যে সেপারেশন নিয়ে কোন প্রশ্ন তোলা উচিত নয়।

তিনি তার স্বামী নিখিল জৈনের এর উপরে বিভিন্ন অভিযোগ এনেছেন। তার মধ্যে রয়েছে নুসরাতের বিভিন্ন একাউন্ট অবৈধভাবে এবং অসৎ উপায়ে নিখিলের ব্যবহারের অভিযোগ, নুসরাত জানান তিনি এই ব্যাপারে ব্যাংকিং অথরিটি কে জানিয়েছেন এবং পুলিশে অভিযোগ জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এছাড়া নিখিল জৈন অভিযোগ জানিয়েছিলেন যে নুসরাত তাকে ব্যবহার করেছে ধনী হতে, সেই দাবি নস্যাৎ করে অভিনেত্রী জানিয়েছেন তার সমস্ত ভ্রমণ এবং ব্যবসায়িক কাজকর্ম এবং তার বোনের পড়াশোনার ও পরিবারের সমস্ত খরচ প্রথম দিন থেকে তিনি বহন করেন। ছাড়াছাড়ি হয়ে যেতেই তিনি নিখিলের ক্রেডিট কার্ড ফিরিয়ে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

সঙ্গে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ এনেছেন যে তার বিভিন্ন জামা কাপড় থেকে শুরু করে ব্যাগ ও বিভিন্ন জিনিসপত্র এবং গয়নাগাটি যেগুলো সে নিজের পরিবার এবং বন্ধু-বান্ধবের কাছ থেকে উপহার হিসেবে পেয়েছিল বা নিজে কিনেছিল সেগুলো নিখিল ফেরত দিচ্ছে না!

এরপর তিনি পরিষ্কার জানিয়ে যান তিনি আজ যে জায়গায় পৌঁছেছেন তো নিজের পরিশ্রমের মধ্যে ছিলেন এবং যার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন তার ব্যাপারে আর কোনো কথা বলতে তিনি রাজি নন।