টিপ না পড়ালে বয়কটের ডাক, চাপে পড়ে দিওয়ালির বিজ্ঞাপন বদলালো একাধিক সংস্থা

এ দেশের প্রত্যেক সম্প্রদায়ের আছে স্বতন্ত্র কিছু বৈশিষ্ট্য । পোশাক পরিচ্ছদের ধরন থেকে খাওয়ার অভ্যাস নির্ধারক বৈশিষ্ট্যগুলি স্পষ্ট ভাবে লক্ষণীয়। অন্য ধর্ম এবং সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের সাথে সাথে নিজ ধর্মের প্রতি আছে প্রাধান্য। সেই ধার্মিক বিশ্বাস কিংবা নিজ সংস্কৃতিতে আলতো আচঁও মেনে নিতে নারাজ সমগ্র দেশবাসী। আজও তার অন্যথা হয়না ।

কিছুদিন আগেই বিখ্যাত ব্র্যান্ড ফ্যাব ইন্ডিয়ার এক্সক্লুসিভ কালেকশন দিয়ে শুরু হয় তীব্র প্রতিবাদ । শুধু কালেকশন এর নাম “জশন এ রীওয়াজ” ই নয়, কপালে এক টুকরো টিপের অভাব ভীষণ বড় সমস্যা সৃষ্টি করে । টুইটারের মারফত শুরু হয় এই প্রতিবাদ ।লেখিকা শেফালী বৈদ্যর অনুপ্রেরণায় শুরু হয় “হ্যাশট্যাগ নো বিন্দি নো বিজনেস”। বাধ্য হয়ে কালেকশন এর নাম পরিবর্তন করে “ঝিলমিল সি দিওয়ালি” দেয় ফ্যাব ইন্ডিয়া ।সেই সূত্র ধরেই উঠে আসে একাধিক ব্র্যান্ডের নাম ।

“টাটা ক্লিক”একটি অনলাইন পোর্টালের নাম আসে সামনে । সেখানেও সেই একই ভুল। দেহে হাজারের ও বেশি অর্থের জামা থাকলেও ,হিন্দু মেয়েদের বর্ণনায় কপালে নেই টিপ।

এ প্রসঙ্গে নাম উঠে আসে একাধিক গয়নার ব্র্যান্ডেরও, উদাহরণস্বরূপ বলা যায় ব্র্যান্ড “পিএনজি” । এক টুকরো টিপ ব্যবসায় রীতিমতো ভাটা ফেলে দিয়েছে বড় বড় এই ব্র্যান্ড গুলির ।

দীপাবলীর এক্সক্লুসিভ কালেকশন দিয়ে ক্রেতাদের দোকান মুখী করতে উঠে পড়ে লেগেছেন বিখ্যাত ব্র্যান্ড গুলি । আর তাতেই হয়ে যাচ্ছে বিন্দুর ন্যায় কিছু ভুল। তবে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি থেকে যথেষ্ট পরিষ্কার হচ্ছে যে এই বিন্দু বিন্দু ভুলের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে ভুলের সিন্ধু । বিজ্ঞাপনের নামে আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছে মানুষের বিশ্বাস তথা সংস্কৃতি। ফলস্বরূপ অনিচ্ছা সত্ত্বেও লোকসানের পথে ক্রমশ এগিয়ে চলেছে নামিদামি ব্র্যান্ডগুলি ‌।