শুরু ‘আনলক’ করার প্রক্রিয়াও! নাইট কারফিউ থাকলেও আংশিক স্বাভাবিকের পথে দেশ!

বাড়ল লকডাউনের মেয়াদ, ৩০শে জুন পর্যন্ত লকডাউন বহাল থাকবে শুধুমাত্র ‘কন্টেইমেন্ট জোনে’। বাকি জোনগুলিতে লকডাউন প্রায় উঠেই যাচ্ছে। ওই জোনগুলিতে ৩ ধাপে উঠছে লকডাউন। সেসকল স্থানগুলিতে প্রথম দফায় ৮ জুন থেকে খুলছে হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিং মল, ধর্মস্থান। তৃতীয় দফায় শর্তসাপেক্ষে উড়বে আন্তর্জাতিক বিমান, চালু হবে জাতীয় স্তরের খেলাধূলা। কোন শহর-জেলা কন্টইমেন্ট জোন তা ঠিক করবে রাজ্য, ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। প্রথম ধাপের সঙ্গে সঙ্গে ওই লকডাউন বহির্ভূত এলাকায় শুরু হয়েছে আনলক ১!

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নতুন এই গাইডলাইনে জানানো হয়েছে, ‘আনলক ১’-এ হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং হসপাতাল পরিষেবা চালু হওয়ার পর, ‘আনলক ফেজ ২’-তে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ বিষয়ে জুলাই মাসে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তার আগে রাজ্য সরকারকে স্থানীয় সব স্কুল, কলেজ, কোচিং সেন্টার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এবং ছাত্র, ছাত্রীদের অভিভাবকদের সঙ্গেও আলোচনা করে তাঁদের মতামত জানতে হবে। সেই আলোচনার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক তরফে আরও জানানো হয়েছে, কন্টেইনমেন্ট জোনের বাইরে অর্থনৈতিক কাজকর্ম শুরু করে দেওয়ার জন্যই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ব্যতিক্রম কনটেনমেন্ট জোন। ১ জুন থেকে নাইট কার্ফু জারি রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত গাইডলাইন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের।

প্রসঙ্গত, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৭ হাজারের বেশি আক্রান্তের রেকর্ড নিয়ে একধাক্কায় দেশের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৭৬৩! মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৪,৯৭১ জন। পশ্চিমবঙ্গে ৪,৮১৩ আক্রান্ত এবং ৩০২ জনের মৃত্যুর রেকর্ড লিপিবদ্ধ হয়েছে আজ। আক্রান্তের সংখ্যায় সবার উপরে মহারাষ্ট্র। হাজার হাজার আক্রান্ত দিল্লি, গুজরাট, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, এর মতো প্রায় ২০ এর বেশি রাজ্য।

লকডাউনের শিথিলতার মধ্যেই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পরেও এই শিথিলতা নিয়ে আশঙ্কিত বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ! তাদের দাবি, প্রথমদিকে কঠিন লক ডাউন প্রতিপালন হয়নি, জনসচেতনতার অভাব ছিল, কিন্তু এই পরিস্থিতিতে সবটা ধাপে ধাপে করা প্রয়োজন। এখনই যদি এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, তাহলে পরে আরও পরিস্থিতি করুণ হতে পারে বলেও মত তাঁদের!


৩০.০৫.২০২০

নয়াদিল্লি

PB