টুইটারকে শেষবারের মতো সতর্ক করল কেন্দ্র সরকার

ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ার জগত তোলপাড় কেন্দ্র তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক এবং টুইটার কর্তৃপক্ষের স্নায়ুযুদ্ধে। কেন্দ্রের তৈরি নতুন তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ম মানতে বাধ্য সমস্ত টেকনোলজি সংস্থা, বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের তরফ থেকে। দেশে একটি নোডাল অফিসার নিয়োগ এবং সমস্ত কর্মী সংক্রান্ত তথ্য জানাতে বলা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারকে। ইতিমধ্যে ফেসবুকসহ বেশিরভাগ তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা কেন্দ্রের দাবি মেনে নিয়েছে। কিন্তু বাধা কাটে টুইটার।

কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি

কিছুদিন আগে টুইটারের দিল্লির অফিসে হানা দেয় দিল্লি পুলিশ। পরেরদিন টুইটার কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তি জানিয়ে বলে যে তারা ভারতের আইনকে সম্মান জানায় এবং ভারতে বাক স্বাধীনতা খর্ব হওয়ায় চিন্তিত তারা। কেন্দ্রের তরফ থেকে কড়া জবাব দেওয়া হয় যে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলো কেবলমাত্র ব্যবসা-বাণিজ্য করতে এসেছে এবং দেশের অভ্যন্তরে আইন নিয়ে নাক গলানো তাদের কাজ নয়।

গতকাল ভারতের উপরাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নাইডু সহ আরএসএসের মোহন ভাগবত এবং অন্যান্য বিশিষ্ট পদাধিকারীর টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ভেরিফিকেশন ট্যাগ কিংবা ব্লু টিক সরিয়ে নেওয়া হয়। যদিও কিছুক্ষণ পরে তা আবার ফিরিয়ে দেওয়া হলেও ক্ষতি ততক্ষণে হয়ে গিয়েছে।

কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে টুইটারকে শেষবারের মতো জানানো হয় যে তারা যেন অবিলম্বে ভারতের আইন মেনে উপযুক্ত তথ্যগুলি সরকারের হাতে তুলে দেয়। ২৬ মে তথ্য জমা দেওয়ার শেষ তারিখ হলেও (তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছিল) কেন্দ্রের তরফে শেষবারের মতো সুযোগ দেওয়া হল টুইটারকে। এরপর যদি তারা আইন লঙ্ঘন করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ।