কৈলাসের সঙ্গে বৈঠকে বিজেপি সাংসদরা, অনুপস্থিত দু’জন

বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পরাজয়ের জন্য অনেকে দায় ঠেলেছিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জুটির ওপর। দিলীপ ঘোষ যদিও নির্বাচনের পর সাংগঠনিক সভায় অংশগ্রহণ করেন, কিন্তু আর পশ্চিমবঙ্গ মুখো হননি কৈলাস। অবশেষে স্বমহিমায় বিজেপির সাংসদদের সঙ্গে দিল্লিতে বৈঠক করতে দেখা গেল তাকে। রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের জন্য বিজেপির প্রস্তুতি জানতে এবং একাধিক বিষয়ে সাংসদদের কাজ করার জন্য অনেক উপদেশ দিতে এই বিশেষ বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী এবং বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালভ্য।

গতকাল দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির একাধিক সাংসদ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মন্সুখ মন্ডব্যর সঙ্গে দেখা করে পশ্চিমবঙ্গের ভ্যাকসিনের সমস্যার কথা তুলে ধরেন। আজ তাদের দেখা করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির ১৬ জন লোকসভার এবং রাজ্যসভার দু’জন সাংসদ রূপা গাঙ্গুলী এবং স্বপন দাশগুপ্ত।

তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অনুপস্থিত দুই বিজেপি সাংসদ। অনুপস্থিত সদ্য “রাজনীতি ত্যাগ করা” বাবুল সুপ্রিয়। অনুপস্থিত বনগাঁর বিজেপি সাংসদ তথা জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। অদ্ভুতভাবে যেই অনুষ্ঠানে দিলীপ ঘোষ থাকেন, সেখানে ঠাকুর পরিবারের সদস্যরা থাকেন না। এমনকি তার ভাই গাইঘাটার বিজেপি বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর দু’দিন আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং সেখাওয়াতের বনগাঁ বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক অনুপস্থিত ছিলেন। বারবার বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে ঠাকুর পরিবারের সদস্যদের এই দূরত্ব প্রকাশ্যে চলে আসায় অস্বস্তিতে বিজেপি নেতৃত্ব।