ফের রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। প্রথম দলের রিপোর্টের ফের আবার সক্রিয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক?

অপূর্ব চন্দ। প্রথম রাজ্যে আসা কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলের প্রধান। তাঁর নেতৃত্বে, দুটি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল, দুই সপ্তাহ রাজ্যে থাকার পর, বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে সব ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে দিল্লি ফেরেন। বহু বিতর্কের পর এই পর্ব মেটে। এরপর ওই দলের তরফে কেন্দ্রকে রিপোর্ট দেওয়া হয়। আর এবার ফের দেশের ২০ রাজ্যের ২০ টি শহরে কেন্দ্র প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সেই তালিকায় কলকাতার নাম রয়েছে। অর্থাৎ কেন্দ্রের তরফে দ্বিতীয় প্রতিনিধি দল আসছে সোমবার রাতেই। যে ২০ টি জেলায় এই দল পর্যবেক্ষণে যাবেন, সেগুলো দেশের সবথেকে বেশি আক্রান্ত জেলা বলে বলা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫ নম্বরে রয়েছে কলকাতা।

যার সঙ্গে ওই তালিকায় রয়েছে, প্রথমে মহারাষ্ট্রের মুম্বই, গুজরাটের আহমেদাবাদ, দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লি, ইন্দোর, রাজস্থানের জয়পুর, মুম্বইয়ের থানে, গুজরাটের সুরাত, তামিলনাড়ুর চেন্নাই, তেলেঙ্গানার হায়দ্রাবাদ, মধ্যপ্রদেশের ভোপাল, রাজস্থানের যোধপুর, মধ্য-দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের আগ্রা, পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা। এছাড়াও ওই তালিকায় রয়েছে, কর্ণল (অন্ধ্রপ্রদেশ), ভদোদরা (গুজরাট), গুন্টুর ( অন্ধ্রপ্রদেশ), কৃষ্ণা (অন্ধ্রপ্রদেশ), লখনৌ (উত্তরপ্রদেশ)।

প্রসঙ্গত, এই রাজ্যে আসা প্রথম দলের তরফে কেন্দ্রের বিভিন্ন দফতরে এবং রাজ্যেও বিভিন্ন চিঠি পাঠানো হয়। আজই রাজ্যকে তাঁরা চিঠি লিখে জানান, রাজ্য তাঁদের সঙ্গে এই পর্যবেক্ষণ পর্বে সহযোগিতা করেনি। এমনকি এই রাজ্যের করোনা সংক্রান্ত তথ্য ও মৃত্যুর সংখ্যা প্রদর্শন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। চিঠিতে স্পষ্টতই এই বিষয়ে আলোকপাত করা হয়।

যেখানে, মূলত রাজ্যের বিভিন্ন দফতরের তরফে সঠিকভাবে সহযোগিতা না করা এবং করোনা তথ্য নিয়েও বিভিন্ন বিষয়ে তাঁরা বলেন। তাঁদের তরফে জানানো হয়, রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার বেশি। তাঁর কারণ, পর্যাপ্ত পরীক্ষা এবং পর্যবেক্ষণ। এমনকি ওই চিঠির মোট ৬ টি পয়েন্ট মধ্যে ৩ নম্বরে উল্লেখ করা হয় যে, ১ এবং ২ মে তারিখে করোনা সংক্রান্ত তথ্যের রাজ্য বুলেটিনে সর্বমোট আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা জানানো হয়নি। এমনকি ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ক্যান্টনমেন্ট জোনের পর্যবেক্ষণের কথা বলা হলেও রাজ্যের তরফে কোনও নথি দেখানো হয়নি।